স্বাদই বোঝে না
স্বাদই বোঝে না- ডাঃ পার্থপ্রতিম; উত্তরবঙ্গ সংবাদ; ২৫ এপিল ২০০৯
জিভের স্বাদগ্রহণকারী জিনের গঠন ত্রুটিপূর্ণ বলেই বাঘ, সিংহ, চিতাবাঘ, চিতা, জাগুয়ার, বিড়াল এরা মন্ডা-মিঠাই খেতে পারে না। মিষ্টির স্বাদ এদের কাছে কোনো স্বাদই নয়, এদের স্বাদকোরকে মিষ্টিটিষ্টি কোনো অনুভুতিই জাগায় না। তাই এরা মাংস-মাছ ভোজী। ডিএনএ কোড বিশ্লেষণ করতে গিয়ে স্বাদগ্রহণকারী জিনের মধ্যেকার এই ত্রুটি শনাক্ত করেছেন আমেরিকা এবং ব্রিটেনের বিজ্ঞানীরা। জানিয়েছেন পাবলিক লাইব্রেরি অফ সায়েন্স মেডিসিন জার্নালে। অন্যদিকে, দ্য জার্নাল অফ হেরিডিটি রিসার্চে জানানো হয়েছে, রেড পান্ডা কৃত্রিম চিনি খেতে পছন্দ করে। খেতে ভালোবাসে কম ক্যালোরিওয়ালা অ্যাসপারটেম, নিওটেম এবং সুক্রালোজ। কিন্তু বাঘ, সিংহ এসবে কোনো আগ্রহই নেই। পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে, মিষ্টি মেশানো জল মুখেই তোলে না সিংহ। যদিও প্রাণীকুলের অধিকাংশই প্রাকৃতিক চিনিসমৃদ্ধ জল অল্পবিস্তার পছন্দ করে।
নিরামিষাশি !
এই বিড়াল মাছ খায় না, মাংসও না। খায় শুধু শাকসবজি এবং ফলটল। মাছ, মাংসের গন্ধ পেলেই হল, খাবে না সেই খাবার। খরমুজ-তরমুজ খায়, বিলিতি বাঁধাকপি খায়, দুধ দিয়ে কলা দিলে সাবাড় করে দ্রুত। কৃত্রিম সারে তৈরি বাড়ির বাগানে করা সবজিই বেশি পছন্দ তার। এই বিড়াল ইঁদুরও মারে না। সম্পূর্ণ নিরামিষাশি এই বিড়ালটিকে রাস্তা থেকে কুড়িয়ে এনেছিলেন নরউইচের টাসবুর্গের বেকি পেজ নাম্নি মহিলা। সেই থেকে ব্রিটেনবাসী বেকির তত্বাবধানেই আছে ‘দান্তে’ নাম পাওয়া বিড়ালটি। বিড়ালদের জন্য চিনজাত যেসব খাবার দাবার পাওয়া যায় সেসবও মুখে তুলে না দান্তে।
রেহাই হাই
সবার নয়, তবে অনেকেরই হয়। যাঁদের ব্লাড প্রেসার হাই, তাঁদের কিডনির প্রশ্রয়ে স্নায়ুগুচ্ছের মাধ্যমে ধমনি বাহিত রক্ত যায় কিডনিতে। রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে এইসব স্নায়ুগুচ্ছকে ধ্বংশ করে দিলেই হবে। ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। ওষুধের দরকারই হবে না। ব্লাড প্রেসার হয়ে স্টোক / হার্ট অ্যাটাক আটকানোর এই স্থায়ী সমাধানের পথে অনেকদূর এগিয়ে গেছেন ডাক্তার-বিজ্ঞানীরা। রাতারাতি ব্লাড প্রেসার কমিয়ে আনার এই পদ্ধতির নাম : রেডিয়ো ফ্রিকুয়েন্সি অ্যাব্লেশন। ল্যানসেট জার্নালে জানানো হয়েছে দু-বছরের মধ্যেই অস্ত্রোপচার সহজলভ্য হবে।
আসছে স্প্রে
পিএসডি ৫০২ স্প্রে। পুরুষাঙ্গকে দৃঢ়তা প্রদানকারী ভায়াগ্রাধর্মী এই স্প্রে আবিষ্কার করেছেন ব্রিটিশ চিকিৎসকরা। ২০০ জন পুরুষের উপর পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে, যৌনমিলনের মিনিট পাঁচেক আগে পুরুষোঙ্গে এই স্প্রে প্রয়োগ করলে যৌন-দৌর্বল্যের ভোগান্তি চলছে যাঁদের তাঁদের মিলনপর্বের স্থায়িত্ব ৬ গুন বেড়ে যায়। বিজেইউ ইনটারন্যাশনাল জার্নালের এপ্রিল সংখ্যায় এ নিয়ে প্রতিবেদন বেরিয়েছে। বেলফাস্টের রয়্যাল ভিক্টোরিয়া হাসপিটালের প্রফেসর (ডাঃ) ওয়ালেস ডিনসমোর জানিয়েছেন, পরীক্ষায় দেখা গেছে, এই স্প্রে মিলন-যোগ্যতা বাড়ায়, মানসিক ভীতি দূর করে মিলনসন্তুষ্টি উপহার দেয়। এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। যাঁরা এই পিএসডি ৫০২ স্প্রে-র যৌনমিলনী যোগ্যতা যাচাইয়ের পরীক্ষায় সামিল হয়েছিলেন, তাঁদের অধিকাংশেরই বক্তব্য, এটি চমৎকার। এ বছরের মধেই এই স্প্রে বাজারে ছাড়ার উদ্যোগে নেওয়া হয়েছে।




No comments